সাধুহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নাকে /মুখে ঘুষি মারাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্য সংঘর্ষ এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা

235

সাধুহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নাকে /মুখে ঘুষি মারাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্য সংঘর্ষ এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা

শাহিদুর রহমান সন্টু ঝিনাইদহ :

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১ নং সাধুহাটি ইউনিয়নে গতরাতে নাজির চেয়ারম্যান ও তার লোকজনের সাথে জামাল মেব্বর ও রহিম মেম্বর এর সমর্থকদের মধ্য ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তথ্য সূত্রে জানা যায় গতকাল সাধুহাটি ইউনিয়নের নায়েবকে সাথে নিয়ে চেয়ারম্যান নাজির সাধুহাটি ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামে যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুজিবর্ষের উপহার ভূমিহীন গৃহহীনদের ৪ র্থ পর্যায়ের ঘর তৈরির করার জমি জরিপের জন্য। জমি জরিপ শেষে ঐ ওয়ার্ডের মেম্বর জামাল ,রহিম মেম্বর সহ গন্যমান্য ব্যক্তিদের ইউনিয়ন পরিষদে ডাকেন চেয়ারম্যান নাজির। এনায়েতপুর বাগদিপাড়ায় ঘর বানানো হলে কারও কোন সমস্যা আছে কিনা জানতে চাইলে রহিম মেম্বরের ভাই আব্দুর রশিদ রেগে গিয়ে বলেন অবশ্যই সমস্যা আছে। আপনিতো সব ঘর বরাদ্ধের জন্যই তো টাকা পয়সা ঘুষ নেন। আব্দুর রশিদের এমন মন্তব্যে চেয়ারম্যান রেগে গিয়ে গালিগালাজের এক পর্যায়ে আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যানের প্রতি ক্ষুদ্ধ হয়ে নাকে মুখে ঘুষি মেরে দেন।মূহর্তের মধ্য গোলমাল ইউনিয়ন ব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে চেয়ারম্যানের লোকজন রহিম মেম্বর এবং তার ভাই আব্দুর রশিদকে বেধড়ক পিটুনি দেয়, এমনটিই মুঠোফোনে জানান ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বর জামাল ।তিনি আরও জানান চেয়ারম্যানকে অপমান করায় আমি রশিদকে সবার সামনে চড় থাপ্পড় মেরেছি। কিন্তু আমাকে ইউনিয়ন পরিষদে ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ তৌহিদ ডেকে নিয়ে আসেন চেয়ারম্যানের নিকট বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য,অথচ আমাকে ইউনিয়ন পরিষদে আটকে রেখে একদল গুন্ডাবাহিনী আমাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে আমাকে হামলা করে,তাৎক্ষনিক নাজির চেয়ারম্যান এবং তার ভাই শুকুরআলী আমাকে সেভ করে।মারামারির ব্যপারে ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই তৌহিদের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমি ঘটনা স্থলে খবর পেয়ে যায় এবং চেয়ারম্যানের লোকজন দশমাইল বাজারে অবস্থিত আব্দুর রশিদের দুইতলা বাড়ি ভাংচুর করা জন্য গেলে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসি। তবে বিচ্ছিন্নভাবে আব্দুর রশিদের আমবাগানের গেট ভাংচুর হয়।আব্দুর রশিদকে খুজে না পেয়ে তার গ্রামের বাড়িও ভাংচুর হয়েছে বলে জানা যায়।এব্যপারে চেয়ারম্যান নাজিরকে ফোন করলে তিনি বলেন ঘর নির্মানের জন্য আমরা যখন জমি মাপামাপি করি তখন রহিম মেম্বরের ভাই আব্দুর রশিদের জমির সীমানায় বেঁধে যাচ্ছে সে কারনেই হয়ত সে আমার সম্পর্কে এরুপ মন্তব্য করেছে।তবে আমি আমার লোকজনকে শান্ত করার চেষ্টা করছি ।এব্যাপারে আব্দুর রশিদকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি ।সাধুহাটি ইউনিয়নে ভূমিহীন গৃহহীনদের ঘর নির্মানকে কেন্দ্র করে সংর্ষের ঘটনা ব্যাপারে অবহিত আছেন কিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম শাহিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন গত সপ্তাহে আমি একটা জায়গা দেখে আসছি।তবে ঘর বরাদ্ধের ব্যাপারে টাকা পয়সা নেওয়া এবং মারামারির ব্যাপারে আমি এখনো কোন খবর পায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here