ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে নগ্ন করতে পারলেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হেয় করা যাবে।

627

একজন পুলিশ সদস্য, গোপনে ধরে নিয়ে গিয়ে যদি পকেটে বিভিন্ন মাদক দ্রব্য ভরে নিয়ে বলে ওমক ছাত্র নেতার কাছ থেকে এগুলো পাওয়া গেছে। আর যদি হয় ছাত্রলীগ তাহলেতো কথায় নেই। আমরা কোনটি বিশ্বাস করব!!??

একটি কথা আমাদের সবার মনে রাখা উচিদ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে নগ্ন করতে পারলেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হেয় করা যাবে। চারিদিকেই নেত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গিয়েছে। সচিবালয়ের ভিবিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যায়গাতে জামাত-বিএনপির পেতাত্মারা বসে রয়েছে। ওখানে বসে তাদের অধিনস্ত কর্মকর্তাদের যে দিক নির্দেশনা দিচ্ছে সেটাই বাস্তবান হচ্ছে। অথচ তৃণমূলের সহজ সরল কর্মীদের মনে একটাই প্রশ্ন?? নেত্রী কি কিছুই জানেন না?? কিন্তু তারাতো জানেনা, নেত্রীকে যারা জানাচ্ছেন তারা ভুল ইনফরমেশন দিচ্ছেন। তানাহলে কি এসএসএফের মতন সেন্সেটিভ জয়গাতেও শিবির নেতা ঢুকে পড়ে!!!

বেয়াদবি নিবেন না। আওয়ামীলীগের নিতীনির্ধারকরা বলতে পারবেন?? আমাদের সরাসরি ছাত্রলীগ করে আসা সাবেক বড়ভায়েরা এখন কোন সচিবালয়ের সচিব?? কোথাকার আইজি?? কোথাকার ডিসি?? কোথাকার সিভিলসার্জন??  জানি বলতে পারবেন না, বরং উল্টো সরাসরি শিবির-ছাত্রদল করে আসা ব্যক্তিদের জন্য আপনারা সুপারিশ করেন।

২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আপনারা কয়টি ছাত্রলীগের  ছেলেকে চাকরি দিয়েছেন?? জানি, এটার উত্তরও আপনাদের নিকট নেই। বরং যারা চাকরি করছে তারা নিজ যোগ্যতা ও মেধায় টিকে চাকরি করছে। আর আপার কাছে গিয়ে আপনারা বলছেন যারা চাকরি পেয়েছে তারা সবাই ছাত্রলীগের। ছি🤬🤬 লজ্জা হওয়া উচিদ আপনাদের। বরং আজ দলে অনুপ্রবেশকারী বৃদ্ধির জন্য আপনারাই দায়ী।

একদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলোনায়তনে ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভার সম্মানিত প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় ছাত্রলীগের ছেলেদের উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন “তোমরা লিখিত পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আমাকে জানিও”। হ্যা, আপনাকেই বলছি। তারপরথেকে ছাত্রলীগের কয়টি ছেলেকে আপনি চাকরি পেতে সহায়তা করেছন?? নাকি ছাত্রলীগের ছেলেরা লিখিত পরিক্ষাতে উত্তির্ন হয় নি?? এভাবে অনেক ছাত্রলীগের কর্মীদের চাকরীর বয়স শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু শুধু ছাত্রলীগ করেছে বলে চাকরিটা হয় নি।

এবার আসেন যেখানে লিখিত পরিক্ষা লাগেনা সেই জায়গাতে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রচার হওয়ার আগেই ছাত্রলীগ বাদেই আপনাদের পছন্দ করা লোক ঠিক করে রাখতেন, কিন্তু কেন?? টাকা নিতে পারবেন না বলে?? ছাত্রলীগের ছেলেদের চাকরিটা দিয়েই দেখতেন হয়তো আপনাদের জন্য জীবনটা দিয়ে দিত। ওহ, সরি, আপনাদের কাছে আবার জীবনের চাইতে টাকার মূল্য অনেক বেশি!!!

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করে দিয়েছে। সেখানকার স্থানিয় জনপ্রতিনিধিকে কয়বার ফোন দিয়ে বলেছেন, অন্যন্যদের সাথে ছাত্রলীগের দুএকটি ছেলেকে চাকরি দিতে?? মফস্বলের আওয়ামীলীগ নেতাদের নিকট টাকা চাইতে চাইতে হয়তো, ছাত্রলীগের ছেলেদের কথা মনে নেই। এটি তো একটি কমন সেন্সের ব্যাপার, যেকোন সংগঠনের সভাপতি-সধারণ সম্পাদক অন্যন্যদের থেকে একটু বেশিই ভাল থাকে। আর তার সাথের অন্যান্য অনেক কর্মীদের ঈদ/পূজার বাজার পর্যন্ত হয় না।

আজ যদি প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতে অন্তত  ছাত্রলীগের ভাইদেরকে রাখতেন। তাহলে, অন্তত এভাবে মিথ্যা দোষ মাথায় নিয়ে হিমেল-মাসুম সহ আরো অজস্র নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে কেউ খেলতে পারতো না।

ভাল থাকুক পরিবার পরিজন নিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক, বর্তমান সকল স্তরের প্রতিটি নেতা কর্মী।

ফ্যাক্টঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মাসুম ভাই। তার অপরাধ সে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। এজন্য তাকে এভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে হবে। তারথেকে গুলি করে মেরে দিতে পারতেন। এতে পরিবার কিছুদিনেই ছেলে হারাবার শোক সহ্য করে নিত। কিন্তু এমন ভাবে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে সারাজীবনের জন্য তাকে সমাজের চোখে অপরাধী বানানোর কি দরকার ছিল?? ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট ঘটনাটির সুষ্ঠ তদন্ত করার অনুরোধ করা গেল।

লেখক – আহ্সান হাবিব রানা সাবেক সহ-সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here